আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা মিডিয়ার কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকেরা প্রায়ই তাঁর উষ্ণ হূদয়, আপ্যায়ন এবং কৌতুকপ্রিয় স্বভাবের বর্ণনা দিয়ে থাকেন। তিনি মিডিয়াকে কতটা গুরুত্ব দেন তারও একটি বড় প্রমাণ আমরা গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তাঁর বিচারকালে দেখতে পাই। সে সময় ২০০৮ সালের ১৬ এপ্রিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর খারাপ ব্যবহারের প্রতিবাদে সাংবাদিকেরা আদালত বর্জন করলে তিনি এটি একটি গোপন বিচার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি এই হুমকিও প্রদান করেন যে সাংবাদিকদের উপস্থিত করার উদ্যোগ না নিলে তিনি শুনানি বর্জন করবেন।
১/১১-পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের সে সময়ে সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর এবং অন্য রাজনৈতিক নেতাদের হয়রানির বিশদ বিবরণ তুলে ধরা ছাড়াও সে সময় বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিভিন্ন টক শোর মাধ্যমে দুই নেত্রীর পক্ষে জনমত পুনরুজ্জীবনের গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বিগত সংসদ নির্বাচন চলাকালীন কিছু চ্যানেল দৃশ্যমানভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষাবলম্বনও করে।
১/১১-পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের সে সময়ে সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর এবং অন্য রাজনৈতিক নেতাদের হয়রানির বিশদ বিবরণ তুলে ধরা ছাড়াও সে সময় বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিভিন্ন টক শোর মাধ্যমে দুই নেত্রীর পক্ষে জনমত পুনরুজ্জীবনের গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বিগত সংসদ নির্বাচন চলাকালীন কিছু চ্যানেল দৃশ্যমানভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষাবলম্বনও করে।


